-->
  • Breaking News

    নিজের স্ত্রীকে কখনো প*র্ন ভিডিও দেখাবেন না তাহলে...see more


     নিজের স্ত্রীকে কখনো পর্ন ভিডিও দেখাবেন না। ❤️


    Mere Pyare bhai, আজকাল অনেকেই মনে করেন.? আরে, স্ত্রীকে একটু পর্ন দেখালে তো মজা বাড়বে, সেও এক্সাইটেড হবে, আমাদের মধ্যে স্পার্ক আসবে! সম্পর্ক আরও রোমাঞ্চকর হবে, intimacy বাড়বে। 


    কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এটা ঠিক তার উল্টো কাজ করে। একবার দেখানোর পর আর ফেরানো যায় না। এটা শুধু একটা ভিডিও নয় এটা আপনার সংসারের শান্তি, আপনার স্ত্রীর মনে আপনার প্রতি যে নির্ভেজাল ভালোবাসা ছিল, সেটাকেই ধীরে ধীরে বিষিয়ে দেয়।


    যখন আপনি নিজের স্ত্রীকে এই জিনিস দেখান, তখন তার মস্তিষ্কে একটা নতুন Benchmark তৈরি হয় যেটা বাস্তব জীবনে কখনোই মেলানো সম্ভব না।


    চলুন এবার দেখে নেওয়া যাক কেন এটা এত ক্ষতিকর?


    ১। তুলনা শুরু হয়ে যায়। 

    পর্নের নায়কেরা ৬ ফুট লম্বা, পারফেক্ট বডি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে অসম্ভব পারফর্ম করে। আপনার স্ত্রী যখন আপনাকে তার সাথে তুলনা করবে (অজান্তেই), তখন আপনি কম পড়ে যাবেন। অনেক স্বামী পরে বলেন, আমার বউ এখন আর আমার সাথে সন্তুষ্ট হয় না, সবসময় অন্য কিছু চায়। এটা শুরু হয় প- র্ন থেকেই। আর হওয়ারই কথা, কারণ একটা ১৫ মিনিটের প-র্ন ভিডিও বানাতে তাদের কমপক্ষে ১৫ ঘন্টা সময় লাগে, ড্রা-গ নিতে হয় ইত্যাদি ইত্যাদি যেটা বাস্তব জীবনে আপনার দ্বারা সম্ভব নয়। 


    ২। অন্য পুরুষের প্রতি আসক্তি তৈরি হয়, পর্ন থেকেই শুরু হয় পরকীয়া। সবচেয়ে বড় ক্ষতি এটাই। একটা বাস্তব গল্প বলি: আমার এক পরিচিত ভাই ছিল। সে ভেবেছিল, বউকে প-র্ন দেখাই, একটু মজা হবে। কিন্তু দু’মাস পর তার বউ রাতে ঘুমের মধ্যে অন্য একজনের নাম নিয়ে ফিসফিস করে কথা বলত। পরে স্বীকার করল সে পাশের বাসার হ্যান্ডসাম বয় যাকে প-র্নের নায়কের মতো দেখা যায়। আজ সেই দম্পতির ডিভোর্সের মা-মলা চলছে।


    ৩। আপনার প্রতি শ্রদ্ধা ও আকর্ষণ কমে যায়।

    পর্ন দেখার পর স্ত্রী আপনাকে আর তার পুরুষ হিসেবে দেখে না। সে আপনাকে দেখে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে, যার সাথে পর্নের সুপারম্যানদের তুলনা হয় না। ফলে আপনার ছোঁয়া, আপনার চুমু, আপনার ভালোবাসা আর আগের মতো রোমাঞ্চকর লাগে না তার কাছে।


    ৪। সম্পর্কে অসন্তোষ ও অশান্তি বাড়ে, 

    প-র্ন দেখার পর অনেক স্ত্রীরা বলেন, তুমি তো এমন করো না কেন? ওরকম করতে পারো না কেন? এই তুলনা থেকে ঝগড়া, অভিমান, তারপর দূরত্ব। অনেক ক্ষেত্রে স্ত্রী নিজেই প-র্ন দেখা শুরু করে এবং স্বামীর অজান্তে নিজের মনকে অন্য জগতে নিয়ে যায়।


    ৫। মানসিক ও শারীরিক ক্ষতি।

    স্ত্রী যখন প-র্নের আসক্তিতে পড়ে, তার নিজের আত্মসম্মান কমে। সে নিজেকে অপর্যাপ্ত মনে করে। আর আপনি? আপনার পারফরম্যান্স নিয়ে টেনশন বাড়ে, যা পরে ইরেকটাইল ডিসফাংশনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।


    ভাই, সত্যি বলছি:

    পর্নে যাদের দেখানো হয়, তারা সাধারণ মানুষ না, তাদের শরীর, পারফরম্যান্স সবই ফিল্টার করা, এডিট করা। প-র্ন কখনোই দাম্পত্য জীবনকে উন্নত করে না। বরং সে আপনার স্ত্রীর মনে এমন একটা দরজা খুলে দেয়, যেটা শুধু আপনি ছাড়া অন্য সবাই ঢুকতে পারে।


    যা করবেন:  

    আপনার স্ত্রীকে আপনার ভালোবাসা, আপনার স্পর্শ, আপনার সময় আর আপনার নিজস্ব রোমান্স দিয়ে ভরিয়ে দিন। আসল আনন্দ পর্নে নয়, দুজনের মধ্যে খাঁটি, নির্ভেজাল ঘনিষ্ঠতায়।


    যারা এখনো দেখাননি কখনো দেখাবেন না।  

    যারা দেখিয়েছেন এখনই বন্ধ করুন এবং স্ত্রীর সাথে খোলাখুলি কথা বলুন।


    স্ত্রীকে খারাপ ভিডিও দেখালে সে মনে মনে আপনাকে দুর্বল ভাবতে শুরু করবে। মনে করবে তারা এতো সময় করতে পারে তাদের এত বড় পেনিস ইত্যাদি ইত্যাদি।