এই কারণে ভাইয়ের সামনেও বোনের পর্দা করা উচিত...see more
এই কারণে ভাইয়ের সামনেও বোনের পর্দা করা উচিত
একদিন সাবিহা তার ঘরে একা বসে ছিল। গরমের দিন, তাই সে হালকা ঘরের পোশাকে আয়নার সামনে বসে চুল আঁচড়াচ্ছিল।
হঠাৎ করে তার ভাই রাহাত দরজা না নক করেই ভেতরে ঢুকে পড়ে— “সাবিহা, আমার চার্জারটা দেখেছিস?”
সাবিহা চমকে উঠে তাড়াতাড়ি পাশে থাকা চাদর দিয়ে নিজেকে ঢেকে ফেলে। রাহাত সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টি নিচু করে ফেলে এবং দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যায়।
ঘর থেকে বের হয়ে রাহাত নিজের ভেতরে অস্বস্তি অনুভব করে। সে ভাবতে থাকে— “আমি তো তার ভাই! তবুও কেন এমন অনুভূতি আসলো?”
সে বুঝতে পারে, মানুষের মন দুর্বল হতে পারে, আর শয়তান সুযোগ খোঁজে। তাই ইসলাম শুধু কাজের নয়, চোখ ও পরিবেশেরও হেফাজতের কথা বলে।
সেই সন্ধ্যায় রাহাত খুব নম্রভাবে সাবিহাকে ডেকে বলে— “তুই আমার ছোট বোন, তাই ভালোবেসেই বলছি… আমাদের শুধু বাইরের মানুষের সামনে না, ঘরের ভেতরেও কিছু সীমা মেনে চলা উচিত। ইসলাম আমাদের লজ্জা ও পর্দা রক্ষা করতে শিখিয়েছে।”
সাবিহা মাথা নিচু করে শান্ত গলায় বলে— “ভাইয়া, আমি বিষয়টা বুঝতে পারিনি। আজ থেকে আমি আরও সচেতন থাকবো, ইনশাআল্লাহ।”
ইসলামে পর্দা শুধু নারীর জন্য নয়, পুরুষের জন্যও। আল্লাহ তাআলা প্রথমে পুরুষদের দৃষ্টি সংযত রাখতে বলেছেন, তারপর নারীদের পর্দার নির্দেশ দিয়েছেন।
চোখের পর্দা না থাকলে সম্পর্কও দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই পর্দা মানে শুধু শরীর ঢেকে রাখা নয়—এটা সম্মান, সম্পর্কের পবিত্রতা এবং অন্তরের পরিচ্ছন্নতা রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
কারণ নীতি হারালে, সম্পর্ক টেকে না।
