নারী বিশেষ অ'ঙ্গে কিভাবে...see more
নারী ক্লিটো/রিসে কীভাবে আরাম পায় — যখন স্পর্শ কথা বলে
ক্লিটো/রিস কোনো বোতাম না।
চাপ দিলেই আনন্দ—এই ধারণা ভুল।
এটা অনুভূতির জায়গা, তাড়াহুড়োর না।
আরাম শুরু হয় এখানে—
মন খুললে শরীর খোলে
নারী যখন নিরাপদ বোধ করে, তখনই শরীর সাড়া দেয়।
চোখে চোখ, ধীর উপস্থিতি, মনোযোগী আচরণ—এসবই প্রথম স্পর্শের অংশ।
সরাসরি নয়, ধীরে ধীরে
ক্লিটো/রিস অত্যন্ত সংবেদনশীল।
হঠাৎ বা তীব্র স্পর্শ অনেক সময় অস্বস্তিকর হতে পারে।
নরমভাবে চারপাশে আদর, তারপর ধীরে কাছে যাওয়া—এটাই আরামের পথ।
একই রিদম, একই ছন্দ
একটা গতি যদি সে উপভোগ করে, হঠাৎ বারবার বদলাবেন না।
ধীর, স্থির ও ধারাবাহিক ছন্দ উত্তেজনাকে আরও গভীর হতে সাহায্য করে।
নিঃশ্বাস দেখুন, শুধু মুখ নয়
নিঃশ্বাসের গতি, শরীরের নড়াচড়া, স্পর্শের প্রতি সাড়া—এসব অনেক কিছু বলে দেয়।
শরীরের ভাষা অনেক সময় শব্দের চেয়েও স্পষ্ট।
চাপ নয়, মনোযোগ
আঙুলের শক্তি নয়, মনোযোগের উষ্ণতা বেশি কাজ করে।
সে অনুভব করুক—তাকে শোনা হচ্ছে, বোঝা হচ্ছে এবং সম্মান করা হচ্ছে।
সব ঠিক আছে তবে পুরুষের শারীরিক অক্ষ/মতা থাকলে সবই বৃথা। তাই পুরুষের
যৌ/ন শক্তি কমে গেলে বা যৌ/ন রোগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা ছাড়া যৌ/ন রোগ ভালো হয়না। অনেকে মনে করে কিছুদিন পুষ্টিকর খাবার খাবো আর রেষ্ট নিবো তাহলেই রোগ সেরে যাবে কিন্তু একবার রোগ জন্ম নিলে বিনা চিকিৎসায় ভালো হবার সম্ভাবনা নেই। মনে রাখবেন যৌ/ন রোগের জন্য অন্য চিকিৎসার তুলনায় বনাজি বা ভেষজ চিকিৎসা সবচেয়ে নিরাপদ ও স্থায়ী। কারন অন্য চিকিৎসায় ওষধে নিশ্চিত ক্যা/মিকেল থাকে যা কিছুটা উপকার করলেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষ/তির সম্ভাবনা আছে আর ভালো হেকিমের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিলে তিনি সঠিক ভেষজ দ্বারা ওষধ হাতে বানিয়ে দিবে যাহা কিছুদিন সেবনের ফলে আল্লাহর রহমতে পুরো সুস্থ হবেন ইনশাআল্লাহ।
